কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৬:৫৬ PM
কন্টেন্ট: প্রকল্প প্রকল্পের ধরন: (নেই)
ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (ডিপোজিটরি ওয়ার্ক ভিত্তিতে জিটিসিএল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন)
প্রকল্পের উদ্দেশ্য : দেশের বিদ্যমান বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটানোর লক্ষ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের শম্ভুগঞ্জে রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (আরপিসিএল) কর্তৃক নির্মিতব্য ৪২০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল (গ্যাস/এইচএসডি) কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে ২০" ব্যাসের ৬০ কি.মি. দীর্ঘ গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ করা।
বাস্তবায়নকাল : জুলাই ২০২২ হতে জুন ২০২৬ পর্যন্ত।
অর্থের উৎস : জিওবি এবং আরপিসিএল-এর নিজস্ব অর্থায়ন।
প্রকল্পের ব্যয় : মোট ৫৫৩.১৭ কোটি টাকা (জিওবি ৪১৮.৫৯ কোটি টাকা এবং আরপিসিএল-এর নিজস্ব অর্থায়ন ১৩৪.৫৮ কোটি টাকা)।
অর্জিত অগ্রগতি:
প্রকল্পের আওতায় পণ্য ও মালামাল ক্রয়ের ৬টি প্যাকেজের মধ্যে ৫টি প্যাকেজের মালামাল আমদানি কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অপর ১টি প্যাকেজের ক্যাথোডিক প্রটেকশন (সিপি) মালামাল উৎপাদনপূর্বক জাহাজীকরণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে, ইপিসি ভিত্তিতে Horizontal Directional Drilling (HDD) পদ্ধতির মাধ্যমে ০৩টি নদী (খিরো, বানার ও সুতিয়া) ক্রসিং কাজ সম্পাদনের জন্য ঠিকাদার কর্তৃক মালামাল আমদানি সম্পন্ন হয়েছে ও যন্ত্রপাতি আমদানির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে। ইপিসি ভিত্তিতে ধনুয়াতে ১টি অরিফিস মিটার রান স্থাপনের নিমিত্ত পুনঃদরপত্র মূল্যায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২০ ইঞ্চি ব্যাসের ৬০ কি.মি. পাইপলাইন নির্মাণের জন্য ঠিকাদার নিয়োজিতকরণের লক্ষ্যে পুনঃদরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় গাজীপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখলসহ অন্যান্য কার্যাবলী আরপিসিএল কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণের নিমিত্ত ইতোমধ্যে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় ও ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা ও ত্রিশাল উপজেলায় অধিগ্রহণতব্য ভূমির ৭-ধারা নোটিশ জারি করা হয়েছে। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার জেলা প্রশাসক কর্তৃক সুপারিশকৃত প্রস্তাব অনুমোদনের নিমিত্ত প্রস্তাবনা ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে যা চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পরবর্তীতে ৭-ধারা নোটিশ জারী করা হবে। শুরু হতে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি শতকরা ৬০.৯০ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতি শতকরা ৪৮.৪০ ভাগ।